পৃষ্ঠাসমূহ

বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই, ২০১৩

Clumsiness of Bangladesh politics.


Whats the hell is going on. Should stop this and issued a legal notice through our Attorney General of Bangladesh against Mark Persy, Washington Times. If we unable to protest this and proven ourselves as the peoples` republic of Bangladesh, we should pay   a huge cost. That is measure our strength against lies!

visit original Article
ZIA: The thankless role in saving democracy in Bangladesh,By Begum Khaleda Zia Wednesday, January 30, 2013
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের জিএসপি সুবিধা স্থগিতের পর খালেদা জিয়ার নামে প্রকাশিত নিবন্ধটি নতুন করে আলোচনায় আসে।
বিরোধীদলীয় নেতা ওই নিবন্ধ লেখার কথা অস্বীকারের পর এনিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের প্রেক্ষাপটে এর সত্যতা যাচাইয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে সংবাদপত্রটিতাদের অবস্থান জানায়।
খবর রাজনীতি > নিবন্ধটি খালেদারই: ওয়াশিংটন টাইমস

নিবন্ধটি খালেদারই: ওয়াশিংটন টাইমস

এ বছরের ৩০ জানুয়ারি প্রকাশিত আলোচিত নিবন্ধটি খালেদা জিয়ার বলে নিশ্চিত হয়েই তা ছাপিয়েছে মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন টাইমস।
তবে খালেদা জিয়ার অস্বীকারের পর মওদুদ তার আগের বক্তব্য থেকে সরে এখন বলছেন, নিবন্ধটি যে খালেদা জিয়ার তা তিনি বলেননি।
মওদুদের পাশাপাশি মির্জা ফখরুলও ৬ ফেব্রুয়ারি বলেছিলেন, “দেশের বাস্তব অবস্থা তুলে ধরতে বিরোধীদলীয় নেতা এই নিবন্ধ লিখেছেন। দেশের নাগরিক হিসেবে তিনি (খালেদা জিয়া) তা লিখতেই পারেন।”
খালেদা জিয়ার অস্বীকারের পর তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার মধ্যে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী এজন্য ওয়াশিংটন টাইমসের কাছে ক্ষতিপূরণ চেয়ে নোটিস পাঠাতে সংসদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “বিরোধীদলীয় নেতা সংসদে বলেছেন- এটা তার লেখা না। আমরা তার কথাই ধরে নিচ্ছি, কারণ বিরোধীদলীয় নেতা একটি ইনস্টিটিটিউশন। তিনি যেই হোক না কেন।
“ওয়াশিংটন টাইমসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া দরকার। অবশ্যই আইনি নোটিস দিই এবং উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ আদায় করি।
এরপর শনিবার খালেদা জিয়া সংসদে বলেন, “বলা হয়েছে, আমি নাকি চিঠি দিয়ে এই সুবিধা বন্ধ করেছি। কিন্তু আমি কোনো চিঠি পাঠাইনি।”
বিরোধীদলীয় নেতার এই বক্তব্যের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাতে থাকা ওয়াশিংটন টাইমসে ছাপা ওই নিবন্ধের অনুলিপি তুলে ধরলে খালেদা জিয়া বলেন, “এটা আমার নয়। এমন কোনো লেখাআমি পাঠাইনি।”
মওদুদের পাশাপাশি মির্জা ফখরুলও ৬ ফেব্রুয়ারি বলেছিলেন, “দেশের বাস্তব অবস্থা তুলে ধরতে বিরোধীদলীয় নেতা এই নিবন্ধ লিখেছেন। দেশের নাগরিক হিসেবে তিনি (খালেদা জিয়া) তা লিখতেই পারেন।”
খালেদা জিয়ার অস্বীকারের পর তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার মধ্যে মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী এজন্য ওয়াশিংটন টাইমসের কাছে ক্ষতিপূরণ চেয়ে নোটিস পাঠাতে সংসদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “বিরোধীদলীয় নেতা সংসদে বলেছেন- এটা তার লেখা না। আমরা তার কথাই ধরে নিচ্ছি, কারণ বিরোধীদলীয় নেতা একটি ইনস্টিটিটিউশন। তিনি যেই হোক না কেন।
“ওয়াশিংটন টাইমসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া দরকার। অবশ্যই আইনি নোটিস দিই এবং উপযুক্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ আদায় করি।”
We should protest.
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Google+ Badge

send or tell a frind

voice of the protestant


take a look!

Translate

Sayed Taufiq Ullah