পৃষ্ঠাসমূহ

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৩

Draft poetry.



যে মানুষ ক্সস্বরাচারী নয়

সে আর যাই হোক প্রেমিক-প্রেমিকা হতেই পারেনা!
শুধূ প্রেম করবে, শুধইু প্রেমিক-প্রেমিকা হবে, প্রেম হবে নারে।
যে শরীরে দহনের বোধ নেই, ভোগের তাড়না নেই
যে বোঝে না সত্যিই সত্যিই বলে কিছু নেই,
হারানোর ভয় নাই।
যে পড়েনি কবিতার বই, মোছেনি মলাটের ধুলো
দেখিবে সব সার্টিফিকেট আ-প্রয়োজনীয় কাগজগুলো
ধরাই নি সিগারেট ¯ড়বান্তকত্তোর সার্টিফিকেট দিয়ে
ছাড়েনি ধোয়া গোধূলীকালে !
সে কিইবা দিবে, আশা করাটা এক একটা পাতানো ফাঁদ
মানুষ মারছে,মরছে মানুষ।
এই মানুষের মুখে মানবাধিকার ঠেকায় পড়ে শিখেছে
আ-নাধিকার প্রবেশ পথে এই মানুষ প্রহরী হয়ে
বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব নিয়ে কলাম লিখছে কোন আশাবাদে
কেউ জানে না, কখন কে যে ক্সস্বরাচারী হবে।


একটা খুন।               

দেশলাই এ এত বেশী মিস ফায়ার বারুদের সাদা ধোয় উড়ে
আমি আগুন খুজে যাই।
আমার হাতেই শেষ সিগারেট, শেষ কিছু ছাই
উড়ে উড়ে যায় স্বপড়বগুলো গোপনে পাজরেফোুড়ে।
সিনায় সিনায় জেগে ওঠে কোলাহল সুখ ও অশ্রুর সম্মিলনে
কুয়াশা কত ঝাপসা আমি তার চেয়ে
যাচ্ছে যাকনা পথ যত আচেনা হোক না স্মৃতি ক্ষয়ে
ঘামে ভেজা মুদ্ধ নড়বড়ে আলিঙ্গনে।
গর্ভপাতের নামে মরছে, কত শিশু এভাবেই খুন
ওটার প্রতেক্যে এক একজন যিশুর জন্ম !
অথবা বুদ্ধের নির্বাণ, মোহাম্মাদ (সা:) এর শ্রেষ্ঠ কোনও উম্মত!
জানেমান করলে জোকে দিয়ে নুন।





খেলোয়ার তোর খেলা দেখা

আমিও যে খেলতে জানি।
খেলতে খেলতে দুজনই জম্পেশ খেলা দেখা
জীবনে যে․নতা জমে পুড়ে ছাই ধুরছাই।
খেলোয়ার তোর খেলা দেখা
জী উস্তাদ।
এরপর খেলা দেখা;
দু-দেশে যুদ্ধ বাধাতে জানি
জানি উস্তাদ !
খেলোয়ার দু-ফাক হআ
জী উস্তাদ।
নো-মানস ল্যন্ঠ হআ
চোখের দোয়াতের কানড়বার জল হআ
কানড়বা যে মনের রাজধানী।
আমিও যে খেলতে জানি।
খেলোয়ার তোর খেলা দেখা
জী উস্তাদ।
না ঘুমোনোর রাাস্তাটি কি চিনিস!
জী উস্তাদ।
ওটা যে মনের কুলখানি !
লাশের মিছিলে চড়ে গনতন্ত্রের ক্সদব বানী।
প্রেম, মুদ্রার মমি।
জী উস্তাদ।
খেলোয়ার তোর সেরা খেলাটা ইশ্বরকমী।
তোর কুটুমেরা যে করে কানাকানি।
খেলতে খেলতে দুজনই জম্পেশ খেলা দেখা
দুরত্ব মোদের মোমদনী।
দুরত্ব মোদের নিয়ে সেই টানা টানি।
শেষে শুধু হু হু হা হা হাা
নিজেদের নিয়ে কেন টানাটানি।
কানড়বা যে মনের রাজধানী। দুরত্ব মোদের মোমদনী।
আমিও যে খেলতে জানি।
আমি আসছি।












রাষ্ট্রবিগগাণের সংগাটা বদলে টিতে পারি

এ পার্থিব জলজ উপস্থিতি বেডরুমের প্রতিকোণ
কোনঠাসা হয়ে আছি জিতবার মোহড়ায়
কে জ্বালাবে বাতি, কলঙ্কলাজ চিৎকার করে
আমাকে একটা হাত দাও
গণহত্যার প্রতিশোধ নিতেপারি,
নিতেপারি এইগণজাগরণের মন্ত্র হতে
আমাকে একটা হাত দাও
পুরোনো তোমাকে জড়িয়ে ধরতে পারি।
সব কটা বিজয়ীর হাত নত করে
আমার বিজয় চিহড়ব ওদের আঙুলে দিয়ে দিতে পারি।
টিপে ধরতে পারি সব রাজাকারের গলা
দেখবে সেদিন দাড়িয়ে দাড়িয়ে জন্মান্ধ হাতটি বাড়িয়ে।
আমাকে একটা হাত দাও
ভ’্রণ হত্যাকারি কে শাস্তির জন্য,
ধর্মান্ধ মানুষের চোখে রোগ সারিয়ে দিতে পারি।
এ পৃথিবিটার সব বর্ডার, ব্যরিকেড, হরতাল, আমার দেশের বিরুদ্ধের সব চμান্ত, ক্সভরব-কপোতাক্ষের পুরোনো যে․বন, তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধ আশংকা,
এক তুড়িতেই উড়িয়ে দিতে পারি।
সব চিড়িয়াখানা, আথচ একটা আস্ত স্বদেশ, যে
দেশটার চারপাশে কাটাতারের বেড়াদিয়ে আমরা স্বধীন বলতে পারি।



আদম কুমরী

ধাপ্পাবাজীর সীমালংঘন আতিμমে বুকটা কাপলো না
মনে পড়ল না জটিল থেকে জটিল রোগের নাম
যদি না পড়ে সেই প্রণয় পণ্যের প্রশয়ে নারী হয়
এ নারিত্বেও কি দাম আছে, যে খানে নিজেই
শুধুই মাংসপিন্ড, মনুষত্বের প্রতাশা সোনার হরিন যখন
তখনও এই শহরের গাছতলাতেও প্রেুমিক যূগল।
প্রেম ততক্ষনই প্রেম থাকে যতক্ষন না
নুনের দাম ও আলোচ্যভুক্তি থাকে।
সম্পদে হ্যা, আমি ই-স্বীকার করছি না যে নারী পাওয়া যায় না
পাওয়া যায় মাংসপিন্ড সমেত শরীরও! সেও নারী।
পুরোপুরি দিয়না কাউকে, যদি না দিয়ে থাক তবে তখন
ও সময় আছে ফিরবার পথ ফাকা আছে।
পৃথিবীর সব ঈভ(হাওয়া) কে আমি ঘৃণা করি
ওরা প্ররোচিত করে দুর্দিন দিতেই শুধু পারে।
আদমের পৃথিবি যাপন একমাত্র কারন সেই সর্ব
প্রথম বিশ্বাস করেছিলো নারী।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Google+ Badge

send or tell a frind

voice of the protestant


take a look!

Translate

Sayed Taufiq Ullah