পৃষ্ঠাসমূহ

সোমবার, ২২ জুলাই, ২০১৩

Poetry


জবানবন্দি

আমার কবিতাগুলো জনৈক বৃদ্ধের দাতের মত নড়বড়ে
অক্ষরগুলো নোম্যানস ল্যান্ডে কাটাতারের বেড়া
আমার বিত্তের পতন সামাজিক ব্যবসার ধস
ভেতরে গোঙানি যেন একএকটা প্যারা।
ছন্দের শেকলে আটকানো পঙতির মতন মনের দরজাটা বন্ধ
মাত্রাগুনে সময় গড়িয়ে যায়।
কবিতাগুলো শিরোনাম হীন, মুন্ডকাটা শরীরের ভার
লাইন এর পর লাইন, রেশনের দোকানের সামনে মানুষের মত 
দাড়িয়ে আছি। দাড়ি, কমা, যতিচিহ্ন সব বিস্ময়কর!

আমি আর আমার কবিতা দুটোই একই রকম
যার কোন ভবিষৎ নেই।
নেই কোন সম্ভাবনা।

খটকা লগলো আর চললাম একা

কি বিস্মিত চেহারা দেখি চারধারে, ভয় হয়
পরিচিত প্রিয়জন আপরিচিত দেখেছি ভীষণ
বদলে দিয়েছে সব নাড়িকাটা জমজ দুজন
কতকি ছিল মিল একসময় আজ তাই অমিলের রাহুগ্রাসে।

যদিও অমাবশ্যায় বিধাতার বিধবা মুখশ
উচ্ছুনে হিম্মত নিয়ে ছিড়ে ফেলি সুখ।
ফালি ফালি করে কেটে দিই জোড়াতালি দেয়া
সব সর্ম্পকের যুদ্ধ।

কতবেশি ক্রোধ তাড়া করে খর¯্রােতা বাউন্ডুলে
দরদে দলিত হয় অবুঝ বোবায় ধরার অভ্যেস 
পাথরের মতন স্তব্ধতা সুনসান নিরাবতা আজ
সানাই বাজিয়ে দুঃখ না হরানোর স¦ভাব উতরে গেছে
বিষন্নতার বিপন্ন তালিকায় নাম উঠেছে যখন।

আবার হারিয়ে ফেলি পুরানো পরাণের কথা
হয়ত ওগুলো ছিল কৃত্রিম প্রণয় দাম দিয়ে যা কিনেছি 
পরের বাজারে তা নিলামে বিক্রি হয়ে গেছে 
শব অস্তিত্বের উপস্থিতি থমকে দিয়েছে।
অথচ এইতো সেদিন ও  দোকা ছিলাম ভেবে
জোঁড় বেধেছিলাম, কিন্তু তখনও ছিলাম একা   
এখন যেমন একা প্রায় বিলুপ্ত প্রজাতির
বুঁনো গাছ, হন্যে হয়ে হাত বাড়াই শুনে 
খালি হাত ফিরে আসবেই জেনে ।


যোজন যোজন দূর

খেলতে খেলতে বন্ধু গীঁটে বাধী  নুপুরের
আদরে আদরে ক্যকটাস মরুর মমত্ব হয়ে ছায়া দেয়
যদি মেলে পাজরে-পাজর  ।

শূন্যতায় বিহ্বল বিবাদ  দপুরের।
আলোর আঁধারে বয়ে শীরদাঢ়া দিয়ে নেমে যায়
শীতল নদীর ¯্রােত   চিৎকার দিয়ে ওঠে বোবা কিছু ক্রোধ।
দাবী আদায়ের পথে হাঠা  তরূণ-তরূনী  হতাশায়
মিছিলে নগরী  শ্লোগান মুখর সেই এক ভোর বেলা
একদিন যেথায় আশায় বেধেছিলো বুক   চড়ে ছিলো ওরা একই ভেলা।

পথভ্রষ্ট এই রোসনায় প্রতিদিন পুরোনো হয়ে যাই 
নিজের আয়নার কাঠগড়ায়   সব আদর তখন ধুয়েমুছে যায়
মিথ্যে! মিথ্যেই হয়ে গর্জাই আমার আততায়ী।

যেটুকু সময় ছিলো এই হাত, হাতে
ঘুম ঘুম করূন হতাশার সাথে সাথে
নতুন স্বপ্নের সর্ম্পক সরল সম্ভাবনায়
যতদূর চোখ যায় গণিকার ঘামে ভেজা টাকার মতন
আতল সাগরের গভীরতা হাতড়াই!

মঙ্গল প্রদীপ জ্বেলে।

এত্তো বেশী কর্জা নিয়ে এই স্বৈরাচারী স্পর্ধা! আভিশাপ
পাপের পাতার দীর্ধ লিস্ট এবং বেরিয়ে আসাটা হবে আমার দুর্দান্ত গলা‘বদি ঝুল›ত মেডেল, 
এই কথা বলার আনুমতি সৃষ্টিকর্তা স্বয়ং কথা দিয়েছেন প্রকৃতির বিপর্যয় আসবেই ফের‘না উপলব্ধি হবে মানব জাতির প্রতি
তিনিই একমাত্র ! যার জন্য মানবজাতি তার দরদ প্রাপ্তির নায়ক
হে পুরুষ উত্তম! তুমি চীট করলেও তোমাকে সে চীট করবে না।
কর্য-কারণ, ফলাফল তার, চরম ক্ষমাশীল তাই 
নতশীরে শুধু অনুভব ও ক্ষমা চাও!
ফিরবেনা সে খালি হাতে, কারন তিনিই একমাত্র সম্মানিত
তাই নিশ্চীন্তে তার কাছে চাও!
এটা সত্যি যেটাকে ফ্যাশান করে নাম দিয়েছো খেদা।
তিনি প্রিয়জন , আ-দ্বীতিয়, সর্বত্তোম।
১৬.০৪.১৩


বাবা ও মা ! এই আঠারো মোকামে 
আঠারো দিনের জন্য

চরিত্র: বাবা
কাল্পনিক কলঙ্কিত, বিশ্বাসীদের মত ছিল না
বর্তমানে মত্ত স্বাপ্নিক নিজেকে কাপুপুরুষ  ঔরসে করে পুষতো বিষাক্ত বীর্য 
জলন্ত আক্স্গার হয়ে, ছটফাটাতো বিজয়ী কে বলতে পারো স্বৈরাচারী
কিন্ত’ তার গর্ভধারীণি!
চরিত্র: মাতা
ভিনমতাবলম্বী  চরম বাস্তব বাদী
এই ইলুইশনে গর্ভে রেখে ছিলো, বিশ্বাস করতো মা হবেই।

চরিত্র: সন্তান
ও ছিলো চরম দুর›ত দুর্বার, পিতৃসূত্রে অস্থিরতম, মায়ের চেয়ে বাস্তববাদী
তাইতো মংসপিন্ডে পরিণত হবার আগেই, দার্শনিক মহাশয়
দেখা-অদেখার পূর্বে বোকা বানিয়ে
দেখিয়ে দিলো দেখ,শা‘লা কত বড় “ক”।
লার্নিং
পিতার বীর্যে পুত্রের জনম তাইতো পিতার পুর্নজনম 
মাতার গর্ভে পুত্রের জনম তাইতো মাতার পুর্নজনম ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Google+ Badge

send or tell a frind

voice of the protestant


take a look!

Translate

Sayed Taufiq Ullah