পৃষ্ঠাসমূহ

বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

Fifty Four is a kind of weapon.


Fifty Four is a kind of weapon. 


হাইর্কোট প্রত্যাশা করছেলিনে, মাসদার হোসাইন মামলার রায়রে সুপারশিরে মাধ্যমে বচিার বভিাগ পৃথক হওয়ায় ২০০৩ সালরে উল্লখিতি রটি মামলার রমিান্ড ও ৫৪ ধারা সংক্রান্ত সুপারশিরে আলোকওে এ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করা হব।

এটি খুবই দুঃখজনক। অদ্যাবধি তা হয়ন।




গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ 
৩৩। (১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।

(২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,

(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু, অথবা

(খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।

(৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিককাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্তকাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।

(৫) নির্বতনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্রকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

(৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।]

কোনো ব্যক্তকিে ৫৪ ধারায় গ্রপ্তোররে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করার জন্যই উপমহাদশেরে বভিন্নি আদালতরে মতো বাংলাদশে সুপ্রমির্কোটরে হাইর্কোট বভিাগও সুনর্দিষ্টি গাইডলাইন দযি়ছেনে, যা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও অধস্থন আদালতগুলোর জন্য মনেে চলার বাধ্যবাধকতা রয়ছে।

২০০৩ সালে বচিারপতি হামদিুল হক এবং সালমা মাসুদরে সমন্বয়ে গঠতি ডভিশিন বঞ্চে ব্লাষ্ট এর দায়রে করা রটি মামলার রায়ে এ ব্যাপারে বস্তিারতি মতামত, সুপারশি ও নর্দিশেনা প্রদান করছেনে।
ওই রায়ে সরকারকে আইন সংশোধন সুপারশি গ্রহণরে জন্য ছয় মাস সময় দযে়া হয়ছেলি, যা আপলি বভিাগ স্থগতি করে রখেছেনে।

উল্লখিতি রায়ে ৫৪ ধারার অনযি়ন্ত্রতি ক্ষমতাকে অসাংবধিানকি ও মৌখকি মানবাধকিাররে পরপিন্থী বলে ঘোষণা করা হয়ছে।েআদালত রায়ে বলনে, ‘৫৪ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগে চরমভাবে স্বচ্ছোচারতিা লক্ষ্য করা যায়।
কারণ ৫৪ ধারায় ওয়ারন্টে ছাড়া আটক এর যে ক্ষমতা দযে়া হয়ছেে তা সংবধিানরে তৃতীয় অধ্যায়ে র্বণতি মৌলকি অধকিার সংক্রান্ত বধিানগুলোর পরপিন্থী।

৫৪ ধারায় গ্রপ্তোর যদি করতে হয় তা হতে হবে সুনর্দিষ্টি, বশ্বিাসযোগ্য ও যুক্তসিঙ্গত তথ্য-উপাত্তরে ভত্তিতি।ে
কোনোক্রমইে নাগরকিরে ব্যক্তি স্বাধীনতা অন্যায়ভাবে হরণ করা যাবে না। ফৌজদারি র্কাযবধিরি ১৬৭ ধারার ক্ষমতাবলে যখন তখন রমিান্ড চাওয়া ও মঞ্জুর করা সংবধিানরে চতেনার পরপিন্থী।’
উল্লখিতি রায়ে আরো বলা হয় ‘পুলশি সুনর্দিষ্টি তথ্যরে ভত্তিতিে আমলযোগ্য কোনো অপরাধরে সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার অভযিোগরে ওপর ভত্তিি করে যথাযথ সর্তকতা অবলম্বন করইে কবেল কোনো অভযিুক্ত বা সাক্ষীকে ৫৪ ধারায় গ্রপ্তোর করতে পারব।

এক্ষত্রেওে গ্রপ্তোররে কারণ বস্তিারতিভাবে উল্লখে করতে হব। ডায়রেি সংরক্ষণ করতে হব। গ্রপ্তোররে তারখি, স্থান উল্লখে করতে হব। ডায়রেতিে অবশ্যই সন্দহেরে কারণরে ব্যাখ্যা লপিবিদ্ধ করা জরুর।

কে তথ্য দলি, তার পরচিয় সুনর্দিষ্টিভাবে উল্লখে থাকতে হব। গ্রপ্তোররে পরপরই গ্রপ্তোরকৃত ব্যক্তরি আত্মীয়স্বজনকে সংবাদ দতিে হব।ে গ্রপ্তোররে সময় সংশ্লষ্টি ব্যক্তকিওে কারণ ব্যাখ্যা করতে হব।ে’
আদালতে ডমিান্ড করলইে ম্যাজস্ট্রিটে রমিান্ড দতিে অনকেটা বাধ্য। পুলশিরে ডমিান্ডে মঞ্জুরকৃত রমিান্ডরে কমান্ডংিও থাকে পুলশিরেই হাত।ে যদওি ম্যাজস্ট্রিটেরে কোনো আসামকিে পুলশি রমিান্ডে দওেয়া না দওেয়ায় ক্ষমতা দুদটোই আছ।তবে রমিান্ডে দওেয়ার ক্ষমতা যতো বশে,ি না দওেয়ার ক্ষমতা ততো নয়। এক্ষত্রেে পুলশিরে ডমিান্ডই বশে র্কাযকর। বলা যায়, এ কাজে নরিঙ্কুশ ক্ষমতা পুলশিরে।৫৪ ধারায় ওয়ারন্টে ছাড়া গ্রপ্তোররে ক্ষমতা স্বচ্ছোচারভাবে প্রয়োগ হয়ে আসছ।

১৮৯৮ সালরে ফৌজদারি র্কাযবধিরি ৫৪ ধারায় বাংলাদশেরে যে কোনো নাগরকিরে নর্বিচিারে গ্রপ্তোররে যে ক্ষমতা পুলশিরে উপর র্অপণ করা হয়ছে, তা সংবধিানরে চতেনার পরপিন্থী, এর প্রয়োগও ব্যক্তি স্বাধীনতায় আঘাত হানার শামলি।

পুলশিরে উড়ো খবর, সন্দহে, শত্রুতার বশর্বতী হয়ে কংিবা প্রশাসনরে ওপর রাজনতৈকি নতোদরে প্রভাব আমাদরে দশেে যুগরে পর যুগ চলে আসছ।
 

কন্তিু অন্যায় গ্রপ্তোর ও আটকাদশে সংবধিানরে উল্লখিতি বধিানরে সঙ্গে সর্ম্পূণ অসঙ্গতপর্িূণ।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
বিচার  দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ 
৩৫ (অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিলএইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিততাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না

(এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ  দণ্ডিত করা যাইবে না


(ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন  নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত  প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন


(কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না


(কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুরঅমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না


(প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (বা (দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না

 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Google+ Badge

send or tell a frind

voice of the protestant


take a look!

Translate

Sayed Taufiq Ullah