পৃষ্ঠাসমূহ

শুক্রবার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৬

হাত বাড়ালেই, হাতের ছোঁয়া , আমি যখন যাবো খোয়া!





নৌকা আর ধানের শীষ


সবার v-বাম, সব নাগ-নাগীণির একই বীষ,

......................................................................................
হে গনতন্ত্র তোমা ঘূণ ধরেছে।
হে আমার স্বদেশজাত তোমা কি
সকলে ঘুমে পেয়েছ।

মাঝখানে স্বদেশীর ছোঁয়া ছুই,
রাজনীতির লাল জাঙিয়াটা,
ইচ্ছ করে তাই আর কাচিঁ না
তনু হত্যার ক্রাইম স্পট সেনানিবাস
জান্নাতুল হত্যার ক্রইম স্মট এ দুরত্ব দগ্ধ করে, রিজার্ভ অর্থ চুরি।
প্রেমিকার সাথে তাই ছাড়াছাড়ি
অথচ বসন্তের প্রথম দিনে তুমি আমি দুজনে বেছে নিয়েছি দুরকম বীষ।
আর কত বীষাক্ত ছোবল বাকী আছে।
আছে কতক বাঁচার পথ আছে।
তুমি যে ভাবে বাঁচো বা যে ভাবে পিতার বীর্যে পুত্রের জনম,
একটাই জেনেটিক কপি ছাড়ছে, ফিরে যাচ্ছে।
আমাদের খোলস সফেদ সাদায়
কাফনে মুেড় দাফন হচ্ছে কাদায়।
হে বসন্ত তোমার গায়ে আজ যেন
একই ঘূণ ধরেছে।

তোর যেমন খুশি সাজিস
ইচ্ছে মতো রঙ মাখিস।

’'''''''''''''''''' '""""""""’'''''''''''''''''' '""""""""

দাহ্য হয়েছি আগেও দগ্ধ বারবার,
আজও দ্বিখন্ডিত ভোর হয় রোজ
কোথায় কোথায় গেলে ছোঁব তোকে রোজ।
নিজেকে ভাঙছি, গড়ছি, জোঁড়া দিচ্ছি।
খন্ড খন্ড করছি রোজ
চিল,শকুনের খাবার এখন,তাই এই খোজ! হে জীবন! তোমর কতরকমফের!
আজও তাই দ্বিখন্ডিত হয় ভোর।


কতটুকু কাছে, ততটুকে দূরে
""""'''''"'''''"'''"''''"''"""""""'"""'’'''''''''''''''''' '""""""""

তুমি কতটুকু স্বধীনতা চেয়েছিলে?
পেয়েছিলে কতটুকু কাকে?
কেমন ছিল আগের দিনে নিজের খাটে,
বেড়ালরা শুতো তোমার বুকে, আমি পাশ বালিশে, আমার খুব রাগ হতো,
তুমি বুঝেও নাবোঝার ভান করে শুতে।
তাতে তোমার কি? তখনও বোঝনি।

প্রথমদিনর কথা মনে আছে! সেইদিন হতে পতিত হয়েছি।তোমার ইচ্ছে হলে
নুহ নবীর প্লাবনও যদি হত, আমার ঠোটে
তমাটে গন্ধ বুক পুরে নিতে।
আত:পর হয়েগলে সময়ের পাতকি,
দুজনের সাবালকত্বের অস্তিত্ব মুছে ফেললে, ব্যবহৃত প্রেমিক ভেবে খুন করলে।
থাকনা এবার স্বরচিত সুখে, অন্যকোন বুকে আমায় ভেবে মাথা পেতে।
যাবারই যখন ছিলি, আগেই যেতিস,
বাঁচতাম আমার আসল আমি।
যতোই ঢেকে গেছি নি:সঙ্গ একাকীত্বে।
পুরোনোদিনের প্রতিফলন হয় কি সেই চিত্তে।




বখে যাওয়া এ কেমন স্বদেশ!
--------------------------
জোড়া শালিক, জমজ নয়।
দুই'ই উদ্বেগহীন, স্বরচিত স্বতন্ত্র
পিলখানা হতে একাত্তর সকল শহীদের
রক্তে রাঙানো।
হে গণতন্ত্র তোমায় ঘূণ ধরেছে।
তনু'দের রেপ করে খুন করেছে।
গুম হয়েছে রিজার্ভ ব্যাংকে রাখা জনগণের বিশ্বাস, চুরি হচ্ছে।
রামপালে সেই ইংরেজদের নীল চাষের মত
বিদুৎচাষ, সুন্দরবন হত্যার মত।
এত কিছছুর মাঝে শুকনো পদমায়
সেতু, জাতীয় স্থানীয় ইলেকশন,
সবই চলছে।
জোড়া শালিক জোড়া শালিক।
নুপুরের তালে তালে দুলছে।






সে।""""'''''"'''''"'''"''''"''"""""""'"""'’''''''''''''''''''
অট্টহাসি হাসছো ভাবছো কেউ বোঝে, কেউ বোঝে না! আমি গালিবের মত তাই তোমাকে খুজি না।
আলোর ভিড়ে তোমার নীড়ে পাখি হয়ে রও। আমায় ভেবে অন্ধকারে শুধু হাতড়ে বেড়াও।
যাও, যতদুর চোখ যায়। যাকে ছেড়ে দিতে হয়, সে পরের, কারও ঘরের নয়।
এমন কি তার নিজরও নয়।
সে আসলে সবকিছু ধ্বংসের কারণ ও ফলাফল।
 






মা 
 """"'''''"'''''"'''"''''"''"""""""'"""'’''''''''''''''''''
মাগো আমি কি ফুরিয়ে গেছি! ভেঙে গিয়েছে ভেতরটা, পুঁড়ে গেছে সব। ফারাওদের মমির মত সরীসৃপ বেঁচে থাকা, দুদন্ড শান্তি দেয়নি, শুধু শাস্তি দিয়েছে বারবার। জাগিয়ে দিয়েছে আপরাধ প্রবণতা। আমি বোধির অসম ছন্নছাড়া। বয়ষ বাড়ছে অাগেকরা পাঁপের অতংক ছেড়েছেড়ে। আমার লম্বা দিনের ঘুম, রাতজাগা লাল দুচোখে রািত্তর হয় ভোর। মাগো আমার তবু কাটেনা নষ্টের ঘোর। শুধু স্বপ্ন দেখে সুখ সত্যিসত্যি ঘটে যায়। সব প্রার্থনায়, সবই দোআ তোর। মাগো আমি কি হারিয়ে গেছি! লাঙল দিয়ে আধ খোড়া বুকের দরজা রেখেছি। মাগো তোর মুখে আমার জন্য গর্বো তবেই তখন শেষ হবে আমার জনম পর্বো। 



 একলা থাকা মানে খারাপ থাকা নয়।
  """"'''''"'''''"'''"''''"''"""""""'"""'’''''''''''''''''''

 পাঁপের সুউচ্চ চূড়ার শীর্ষে উঠে চলছী, সে এক আদিম সময় হতে এখনো, সৃষ্টির রূপান্তর ঘঠবেই, পৃথিবীটা যেমন ঘুরছে, ঠিক একি নিয়মে আমার পুরোনো কালকের বাসী এই আমাকে বদলে নিলাম, শুধরে নিলাম আর নিজেকে বললাম, কেমন আছিস তুই! আয়নার চেয়ে কাছের বন্ধু হয় না, প্রতারক প্রেমিক-প্রেমিকা সব স্বভাবে হায়না। রাতারাতি বদলে যদি যেত, সম্পর্কে বিশ্বাস নিরানব্বই হলেও হয় না, বানরের গলায় মুক্তোর মালা সয়না। ভালোবাসায় ডেভিট ক্রেডট আঙ্ক কষা যায় না।




দেখতে দেখতে আমার বয়ষ বাড়ছে, 
   """"'''''"'''''"'''"''''"''"""""""'"""'’''''''''''''''''''
বাড়ছে না আমার ভালো থাকার অভ্যেস, তবু। 
চোখ ভরে স্বপ্ন দেিখ, সাহস করে দেখিয়েই দি,
 ভালো থাকার বদ-অভ্যেস। পিছন ঘুরে অতীতের গন্ধ ঘেটে, 
অলস সমরে থাকাটার নাম বেঁচে থাকা। 
আবার নিজেকে জোচ্চুরি করে ঠকানো, 
 নিেজ নিজে গর্দভের নিজেকে সাময়িক।ভালোআছি ভান করা। 
নিজের প্রত্যেকটি অপকর্মের গ্লানি থেকে বাঁচার জন্য নতুন নতুন ব্যখ্যা আবিস্কার করা। 
 তানা হলে এবাঁচা কিরকম বাঁচা। শ্বাস নিলেই তুমি বেঁচে আছো, এটাকেও বাঁচা বলে না।
বাঁচার খাচায় পণবন্দি, তবু বাঁচার নিয়মে সময়র ফন্দি, আমার শুধু বয়ষ বাড়লো, 
অনন্তকাল বাঁচা হলো না।





হাত বাড়ালেই, হাতের ছোঁয়া ,
আমি যখন যাবো খোয়া!
 """"""""""""""""""""""""""""""""""""""" 
থাকবো না সাথে যখন। স্মৃতির বুকে বারুদের জ্বালা, লাভার স্রোত চুলের সিথীঁর মত শীরদাঢ়া বেয়ে নেমে যায় নদী। কামনার বিষদাত যতই কামড়ে রবে। ন্যাংটো জোৎস্না রাতের আভায় লজ্জাবতী লতা, আমাকে জড়িয়ে ধরতে কি পারবে? পাশফিরে শোয়ার সময়, আমার বুকের গন্ধ, তোমার শ্বাস করে বন্ধ, বুকটা ভরে নিতে চাইবে। পাবে না তখন আমার আলিঙ্গন, ছোবে না ঠোট, আর খামচে ধরবে না নোখ। 


©সৈয়দ তৌফিক উল্লাহ
 
a
                 thinkinngPark
presentation
                      by
sayed taufiq ullah 
cell: 8801818303343,
sayedtaufiq@gmail.com

https://www.behance.net/feelingpractitioner?
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Google+ Badge

send or tell a frind

voice of the protestant


take a look!

Translate

Sayed Taufiq Ullah