পৃষ্ঠাসমূহ

রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬

vOice of tHe pr0testaNt: আর এদের জন্য যিশু আবার নবী হয়ে জন্মাতে হবে। মনুষ্...

vOice of tHe pr0testaNt: আর এদের জন্য যিশু আবার নবী হয়ে জন্মাতে হবে। মনুষ্...:  আর এদের জন্য যিশু আবার নবী হয়ে জন্মাতে হবে। মনুষ্য প্রজাতি রহস্যময় ছলনাময়ী। নষ্টালজি সে এক পীড়িত বিষধর গোখরার মৃত প্রায় দিনে, ...

আর এদের জন্য যিশু আবার নবী হয়ে জন্মাতে হবে। মনুষ্য প্রজাতি রহস্যময় ছলনাময়ী।


 আর এদের জন্য যিশু আবার নবী হয়ে জন্মাতে হবে। মনুষ্য প্রজাতি রহস্যময় ছলনাময়ী।



নষ্টালজি

সে এক পীড়িত বিষধর গোখরার মৃত প্রায় দিনে, খোলস ছাড়াতে দুই হাত বাড়িয়ে দিেয়েেছ যে, বোঝেনি সে, স্বভাবের বিষদাত ফিরিয়ে নিয়ে যাবে, আদম ও হাওয়ার পুরোনো সেই পাঁপে, তাই বাড়ানো তার দুই ঠোটে ঠোট রাখতেই, বিষাক্ত ছোবল দিল জাত দিল গোখরার বন্ধুত্বের মোড়কে, প্রেমে পুরোটাই প্রণয়ের পরিত্যক্ত সময়ের সুযোগে, সব কিছু ভান ছিল, সবটুকু গোখরার ছোবলে জান নিল।

 .................

 





হাত বাড়ালেই, হাতের ছোঁয়া, যাইকি পাওয়া,
আমি যখন যাবো খোয়া!



থাকবো না সাথে যখন। স্মৃতির
বুকে বারুদের জ্বালা, লাভার স্রোত
চুলের সিথীঁর মত শীরদাঢ়া বেয়ে নেমে যায় নদী।
কামনার বিষদাত যতই কামড়ে রবে।
ন্যাংটো জোৎস্না রাতের আভায় লজ্জাবতী লতা, আমাকে জড়িয়ে ধরতে কি পারবে?
পাশফিরে শোয়ার সময়,
আমার বুকের গন্ধ, তোমার শ্বাস করে বন্ধ, বুকটা ভরে নিতে চাইবে।
পাবে না তখন আমার আলিঙ্গন,
ছোবে না ঠোট, আর খামচে ধরবে না নোখ।

,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,


আমাদের মানুষগুলো হঠাৎ করে বদলে যাচ্ছে,
বোধগত কোন কিছুই, সমাজ-সংসার, পরিবার এর উপর
ব্যক্তিগত কোন প্রভাব আদৌ কি ফেলছে।
শুধু দেখছি বড়বড় শিয়ালের বড় বড় লেজ।


এ এক অদ্ভূত জীবন
আমার এক চোখে রক্ত জবা
আরএক চোখে দাহ্য পুঁড়ে যাওয়া অতীত
জিহ্বায় গোখরার সদ্য ছোবল
মুখ দিয়ে গোঙানী নি:শব্দে
পাষাণেরা পাঁজরের হাঢ়ের মর্ম কি কখন বুঝবে?
 .......................................

ছেলেটি পাগল পাগল,
মেয়েটি আবোল তাবোল।


আমি আগের ঠিকানায় আছি
তুমি বেশি ব্যস্ত তাই তোমার ঠিকনায়
একলা থাকো তোমার দুনিয়ায়, আমি ও আমার মতো থাকি, আমার করে রাখি,
আমার সকল জন্মান্ধ জোৎস্নায়।
সুখ ও পায়রার সফেদ দুডানায় বাজি রেখে। তোমাকে আমার আতীত হতেই হবে, শুধু তোমার প্রতিভাদীপ্ত জলরঙে ছলনায়। বে-আব্রু বেদনায় স্মৃতির ছটফটানি সবসময় সঙ্গি রেখে।


.........................................
 
এই বালিকা, মেঘ বালিকা!

প্রেম বলতে কি বুঝিস? বিশ্বাসের নামে প্রেম ভৈরবে কি খুজিস?
আধার ছিলই বলেই আলোয় কার বুকে মুখ গুজিস। রেখে দেখিস মাথা প্রিয় কোন কাধে। যদি দেখিস পুরনো উত্তাপ, পুরনো সেই শরীরের গন্ধ, পিঠে খামচে থাকা নখের প্রিয় ব্যাথা, দগ্ধ প্রেম বিভক্ত বালক বালিকার দল, সাত সুমুদ্রে একটা ব্যথায়, কলিজায় কলিজায় প্রতিধ্বনিত হয়। তবুওকি প্রেম খুজছো?
নিজে নিজই প্রেম হয়ে যায়, 

.........................................................................................
 
আগুনের আবিস্কার।

আমরা যেদিন আগুন আবিস্কার করে ছিলাম,
সেউ দিন, প্রথম ভয় পেয়ে বিস্মিত হয়েছি উত্তাপের আনন্দে। 
আমরা তখনো আগুনে পোঁড়া বেদনার কথা, জানিনা। কি অবাক ব্যপার, বিস্ময়কর। 

আমাদের প্রজন্মের জন্মগাাঁথা নবী মুসার (আ:) সময়ের মত
দশটি মিরাকলের দিেক তািকয়ে আছে।
হে প্রিয় নবী মুহম্মদ (সা:) তোমর দিকে
আমরা চেয়ে আছি, আমাদের হবে কখন সময়।
হে সৃষ্টিকর্তা, শুভেচ্ছা তোমায়, সকল শুকরিয়া তোমারই, এই মাুনুষ জনম!
জীবন জীবন খেলা! আমার সকল সময়ে তোমার উপস্থিতি, আমাদের জানিয়ে দেয়।
টের পাই আস্থায়ী সময়ের জন্য হলেও আছি কিম্বা ছিলাম।
দেখিয়ে দিলাম গুনাহায়, প্রণয়ের বোবা গোঙানিতে , পূন্যে।


..................................................................................

একলা থাকা মানে খারাপ থাকা নয়।


পাঁপের সুউচ্চ চূড়ার শীর্ষে উঠে চলছী,
সে এক আদিম সময় হতে এখনো,
সৃষ্টির রূপান্তর ঘঠবেই, পৃথিবীটা যেমন ঘুরছে, ঠিক একি নিয়মে আমার পুরোনো কালকের বাসী এই আমাকে বদলে নিলাম, শুধরে নিলাম আর নিজেকে বললাম, কেমন আছিস তুই!
আয়নার চেয়ে কাছের বন্ধু হয় না,
প্রতারক প্রেমিক-প্রেমিকা সব স্বভাবে হায়না। রাতারাতি বদলে যদি যেত,
সম্পর্কে বিশ্বাস নিরানব্বই হলেও হয় না,
বানরের গলায় মুক্তোর মালা সয়না।
ভালোবাসায় ডেভিট ক্রেডট আঙ্ক কষা যায় না।

................................................................................ 

স্বপ্ন স্বপ্নই রয়।
তপতু
( ভাষাদিবসে সকল শহীদ বীরদের প্রতি)
তপুর 'ত' আর তিতলীর 'তপু সোনার পুতু। ওদের জন্মের আগে বোকেন ফ্যামিলি চাইল্ড।
তপতু তপুর মেয়ে হিসাবে চাইত। তিতলী ভীষন চাইতো ছেলে হবে। ছেলে-মেয়ে কিছুই হল না। মিেছ তাসের সংসারে কেড়ে নিল সবিকছুই। তবুতো বাচার সুদিন ছিল, একটুও দেরী সহ্য হল না। তপতুর আজন্ম মৃত্যুহল, ভাষাদিবসের দিনে তপতুর ছোটছোট হাসকি ভয়েসে শোনার সৌভাগ্য হল না 'আমাল ভাইয়ের নক্তে নাঙা একুশ ফ্রেরব্রুআরি, আমি কি ভুয়েতে পাির'।
কোন এক এই দিনে ভারত-বাঙলাদেশ বার্ডরের, নো-ম্যানসল্যন্ডে তপুও তিতলী দুহাত ধরে শহীদ মিনারে প্রথম বলেছিল ভালোবাসি তোরে, বলছি না আমিই প্রথম তবে শেষ হতে পারি! তোর গোণার অভ্যেস শেষ হবে না। আমার তপতু কন্ঠে বাঙলা আর শোনা হল না, মিছে চুলের বেণী বাঁধা, স্বপ্নেই থেতলে গেল তপু-তিতলীলির সংসার জীবনে দাম দিয়ে কেনা সব আজ মিসক্যরেজ। ভাষািদবসে কড়ে আঙুল ধরে দুমুঠো ফুল হাতে কোন তপতু নেই।



 

(c)
Sayed Taufiq Ullah.

https://www.facebook.com/stullah 

Google+ Badge

send or tell a frind

voice of the protestant


take a look!

Translate

Sayed Taufiq Ullah