পৃষ্ঠাসমূহ

শুক্রবার, ৬ মে, ২০১৬

র্ধষতিার পরচিয় ও আমাদরে দায়বদ্ধতা

১৮৬০ সালে ব্রটিশিরাজ শাস্তি যাবজ্জীবন করছেলিনে। জরমিানার ব্যবস্থাও করে গছেনে ফরিঙ্গিরিা। ২০০০ সালে আমরা যে নারী ও শশিু নর্যিাতন বরিোধী আইন করছেি তাতওে যাবজ্জীবনরে ব্যবস্থাই করছে।ি র্ধষণজনতি কারণে মৃত্যু হলে ‍আছে মৃত্যুদণ্ডরে ব্যবস্থাও। অপরাধটি আমলযোগ্য ও ‍জামনি অযোগ্য। কন্তিু তারপরও আমরা দখেছ,ি বাইরে আসামরি আস্ফালন, চার দয়োলে বন্দি র্ধষতিা নারী।
র্ধষণরে আইনগত ব্যাখ্যা বা বশ্লিষেণ আমাদরে সবারই জানা। বাংলার গণমাধ্যমরে পাঠক ও র্দশকমাত্রই এখন র্ধষণ বষিয়ে দু’একটি কলাম লখিে ফলেতে পারবনে। ইন্টারনটেরে কল্যাণে ভডিওিসহ র্ধষণরে কাহনিী এখন হাতরে মুঠোয়।
২০১২ সালরে যখন দল্লিি যাই, সে শহর তখন ‍উত্তাল। দল্লিি র্ধষণকাণ্ডরে পর ভারত সন্তানরা তখন রাজপথ।ে আমরা বঙ্গসন্তানরা এখান থকেে হাপত্তিসে কম করনি।ি ভারতরে এটা করা উচতি, ওটা করা ঠকি হয়ন,ি ইত্যাদ-িইত্যাদ।ি মাসও পরেোতে পারনে,ি আমাদরে সাভার, মানকিগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ফরদিপুর দল্লিকিে দখেয়িে দয়িছেে র্ধষণ কাকে বল।ে ভারত করলে হয় রামলীলা আর আমরা হলে ব্যভচিার। এ অনাচার মনেে নওেয়া যায়না। নবেোই বা কনে? র্ধষণে শতরান করে র্পাটি দয়ো লোক আমরা। রসুখা আমাদরেই ভাই!
এ র্বণনা এখানে ক্ষান্ত দয়িে র্ধষতিার দকিে একটু তাকাতে চাই।
কয়টা র্ধষণরে ঘটনা ঘটছে প্রতদিনি? আর কয়টাইবা মডিয়িায় আস?ে আসলওে কয়টাই বা চাউর হয়। শষেটার কথাই বল।ি তনুকে আমরা চনিতাম না। জানতামও না কে এই ময়ে।ে এখন আমরা ‍তার পুরোটাই জান।ি তার জন্ম, শশৈব, বড়েে ওঠা, স্কুলে যাওয়া, বন্ধুত্ব, মলো-মশো, সলেফ,ি বয়ফ্রন্ডে (যদি থাক)ে, আড্ডা আরো কত ক!ি তনু মরয়িা প্রমাণ করলিো যে সে মরে ‍নাই! বঙ্গভূমরি সব নারীই যে কাদম্বনিী।
আমি আইনরে ছাত্র। আইনরে মধ্যইে থাকতে পছন্দ কর।ি কন্তিু তারপরও কছিু কথা না বললইে নয়, তাই ওপররে দু’একটি বাড়তি কথা আর ক!ি
মাঝে মাঝে মনে হয়, আইন দয়িে জগতে কছিু হয় না। সব বড় বড় কথা। আসলে অস্টনিই ঠকিই বলছেলিনে, ‘খধি রং ঃযব পড়সসধহফ ড়ভ ঃযব ংড়াবৎবরমহ’। কথাটি আরো সত্য মানি যখন তার শষে কথাটি ‘নধপশবফ নু ঃযব ঃযৎবধঃ ড়ভ ঢ়ঁহরংযসবহঃ’ স্মরণ কর।ি আসলে আইন হলো সবলরে শক্ত,ি আর র্দুবলরে বোঝা। আইন কাজে লাগয়িে কউে হয় সুবল নয়তো সুশীল। বাকরিা সব বয়োরা।
র্ধষণরে আইনগত বশ্লিষেণ পাঠকরে জানা। কন্তিু কত র্ধষণ যে থকেে যায় আড়ালে আবডালে তা কি আমাদরে জানা আছ?ে প্রতদিনিই বাড়ছে এসব ঘটনা। এখনতো প্রায় গা সহা হয়ে গছে।ে হওয়াটাই স্বাভাবকি। এখানে আইন আছ,ে বচিার নইে। তাই আইনরে কোনো সুফল নইে। বচিারহীনতার সংস্কৃতি তরৈি হওয়ায় র্ধষণরে শকিার ও তাদরে পরবিার ঘটনাগুলাে প্রকাশ করতে চায় না।
দড়েশ’ বছর আগে এখানে র্ধষণবরিোধী আইন হয়। দণ্ডবধিতিে র্ধষণবরিোধী আইন পাকাপোক্ত। ১৫৬ বছরওে এর তমেন কোনো পরর্বিতন প্রয়োজন পড়নে।ি আমরা কথায় কথায় আইনরে দোহাই দতিে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছ।ি শুধু র্ধষণ কনে নারী নর্যিাতনরে বরিুদ্ধে অনকে আইনই আছে দশে।ে তারপরও আমরা প্রয়োজনরে তাগদিে ২০০০ সালে নারী ও শশিু নর্যিাতন দমন আইন করছে।ি কন্তিু নারী নর্যিাতন তাতে কছিু কমনে।ি শশিু নর্যিাতন আরো বড়েছে।ে তাই মূল কথা হলো আইন থাকলইে হবে না, আইনরে প্রয়োগ চাই, ন্যায়দণ্ড সবার জন্য সমান হওয়া চাই।
‘গণমাধ্যম’র কল্যাণে (?) আমরা এখন র্ধষতিার নারী-নক্ষত্রও জানতে পারছ।ি ‘সামাজকি যোগাযোগ মাধ্যম’র কল্যাণে র্ধষতিার ছবি (ভডিওিসহ) পুরো রগরগে কাহনিী এখন হাতরে মুঠোয়। আইনরে বালাই নইে। সংবধিানরে পাত্তা নইে। সবই এখন আমাদরে ‘তথ্য অধকিার’র আওতাভুক্ত।
সংবধিানরে ৪৩ অনুচ্ছদে নাগরকিদরে যে ন্যূনতম ব্যক্তগিত গোপনীয়তা রক্ষার অধকিার দয়িছেে গণমাধ্যমে র্ধষতিার ছবি প্রকাশ করে সে অধকিারটওি কড়েে নচ্ছি।ি কন্তিু র্ধষতিার ব্যক্তগিত গোপনীয়তার অধকিার তো অনকে পররে কথা, তার নাম-পরচিয় প্রকাশে রীতমিতো প্রতযিোগতিা হচ্ছ।ে র্ধষতিার ছবি এমনকি পারলে ভডিওিও প্রকাশ করার মহড়া চল।ে র্ধষণপরর্বতী ছবি প্রকাশও করতে ছাড়ে না কোনো কোনো অখ্যাত গণমাধ্যম।
সামাজকি যোগাযোগ মাধ্যমে এসব ছবি বা ভডিওি মুর্হুতইে ছড়য়িে পড়ে সবার মাঝ।ে এসব কাজ করতে গয়িে আমরা কখনোই একজন র্ধষতিার কথা ভবেে দখেনিা। ভবেে দখেনিা তার ব্যক্তগিত মান-র্মযাদার কথা। আমরা কখনোই চন্তিা করি না ওই নারীর পরবিার তথা আত্মীয়-স্বজনদরে কথা। একজন নারী কোনো দোষ বা অপরাধ না করওে সব ধরনরে সামাজকি দণ্ডই তাকে ভোগ করতে হয়। আর আইনগত দণ্ডতো একটি প্রশ্ন সাপক্ষে ব্যাপার।
২০০০ সালরে আইনরে ১৪ ধারার ব্যাখ্যা অনুযায়ী র্ধষতিার ছবি প্রকাশ না করার কথা বলা আছ।ে বশিষে করে র্ধষণকালরে ও র্ধষণপরর্বতী (ফঁৎরহম ড়ৎ ধভঃবৎ ধঃঃধপশ) ছবি প্রকাশে সুস্পষ্ট নর্দিশেনা আছ।ে আইনানুযায়ী এজন্য শাস্তরিও ব্যবস্থা আছে যার ময়োদ দুই বছর র্পযন্ত হতে পার।ে জরমিানা হতে পারে এক লাখ টাকা র্পযন্ত। কন্তিু আমরা কি এসব বধিান মনেে চলছ?ি
আইন মানুক আর নাই মানুক গণমাধ্যম তো তবুও আইনরে আওতায়। কন্তিু সামাজকি যোগাযোগ মাধ্যমকে এখনও এসব আইনরে আওতায় আনা যায়ন।ি রাজনতৈকি বক্তব্য প্রদান, সন্ত্রাসবাদ-জঙ্গবিাদ, রাষ্ট্রদ্রোহতিা এসব ব্যাপারে সামাজকি যোগাযোগ মাধ্যম যতটা নজরদারতি;ে নাগরকিরে ব্যক্তগিত অধকিার ও মান-র্মযাদা রক্ষায় সে নজরদারটিা নইে। এসব ব্যাপারে র্কাযকর আইন করতে হব।ে সামাজকি যোগাযোগ মাধ্যম মানুষকে মানুষরে আরো কাছাকাছি নয়িে আসব।ে কন্তিু তার মাধ্যমে যদি নাগরকিরে ব্যক্তগিত মান-র্মযাদার হানী হয় সটেি কাম্য নয়। সামাজকি মূল্যবোধ ভুলুণ্ঠতি করা সামাজকি যোগাযোগ মাধ্যমরে লক্ষ্য নয়।
তথ্যপ্রযুক্তরি সঠকি ব্যবহার সমাজ ও রাষ্ট্রে কল্যাণ বয়ে আন,ে নাগরকি অধকিার প্রতষ্ঠিতি হয়, সমাজ বনির্মিাণ হয় আধুনকি চন্তিা-চতেনায়। ইন্টারনটে আমাদরে পুরাতন ভাবনা ও চন্তিার জগতরে রুদ্ধ দুয়ার খুলে দয়িছে।ে সামাজকি যোগাযোগ মাধ্যম আমাদরে আরও আপন করছে।ে শুধু মূল্যবোধটা একটু শক্ত করে ধরতে হব।

এক দশকেও শুরু হয়নি মা-মেয়ে হত্যার বিচার

রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা সাবেরা বেগম (৫০) ও তার একমাত্র মেয়ে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ছাত্রী শারমিন সুলতানা হত্যাকাণ্ডের বিচার ১২ বছরেও শুরু হয়নি। মামলার দীর্ঘসূত্রতায় আসামিরা জামিন পেয়েছেন। জামিন পেয়ে পলাতক হয়েছেন দুই আসামির একজন জাহাঙ্গীর।

২০০৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর গুলশানের নিজ বাসায় খুন হন সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা সাবেরা বেগম ও তার একমাত্র মেয়ে শারমিন সুলতানা। মামলার বাদী সাবেরার স্বামী সামসুল আলম মিয়া সে সময় কুমিল্লার লাকসামে ছিলেন। ১৭ ডিসেম্বর তিনি গুলশান থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৯৯ সালে সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুলের ব্যবস্থাপনা কমিটির আত্মীয় ও সমর্থক তপন, পবন, নুরুল ইসলামরা অস্ত্রের মুখে বাদীর স্ত্রী সাবেরা বেগমকে পদত্যাগে বাধ্য করেন। এ নিয়ে ঢাকার রমনা থানায় একটি মামলাও হয়। তার জের ধরে অজ্ঞাতনামা আসামিরা বাড়ির সিকিউরিটি গার্ড, কেয়ারটেকার ও বাসার গৃহকর্মীদের সহায়তায় বাদির স্ত্রী ও মেয়েকে হত্যা করে থাকতে পারেন।
মামলাটির দু’বার তদন্ত হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ৪ বছরেরও বেশি সময় পর ২০০৯ সালের ২১ জানুয়ারি বাড়ির সিকিউরিটি গার্ড জাহাঙ্গীর ও কেয়ারটেকার ওমর ফারুককে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে সিআইডি। তারা ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। ঘটনার সঙ্গে কারা কারা জড়িত তাদের নামও প্রকাশ করেন।
মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনা সম্পর্কে বিভিন্ন জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে একজন হলেন বিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদী। অবশ্য তিনি ঘটনা সম্পর্কে তেমন কিছুই বলতে পারেননি।
কিন্তু মামলাটি তদন্তের সময় গ্রেফতারকৃত শাহ ইমরান, জহর চন্দ্র, ফাতেমা বেগম, জাকিয়া সুলতানা বিলকিস, আবুল বাশার মিয়া, ইমাম হোসেন খান, মুক্তার হোসেন, ওয়ার্ড কমিশনার আরিফুল ইসলাম, আতিকুল গণি বোখারী, শেখ নুরুল ইসলাম, শোয়েব চৌধুরী ওরফে তপন এবং জাহিদ চৌধুরী ওরফে পবনের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না পাওয়ায় এ ১২ জনকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
মামলার দায় থেকে এ ১২ আসামিকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা না থাকায় চার্জশিট প্রত্যাখ্যান করে নারাজি দেন মামলার বাদী। তৎকালীন মহানগর দায়রা জজের আদালত মামলাটি ফের তদন্তে পাঠান।
এবার মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় ডিবি পুলিশ। ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মনজুর মোর্শেদ মামলাটি তদন্ত করে প্রথম চার্জশিট দাখিলের ২ বছর পর ২০১১ সালের ১৮ এপ্রিল ওই দু’জনকে অভিযুক্ত করে ফের আদালতে চার্জশিট দেন। বাকিদের মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দানের সুপারিশ করেন।
বাদী আদালতে নারাজি দিয়ে স্কুলের ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে সাবেরা বেগমের বিরোধের কারণে জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে দাবি করে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিচার চেয়ে আসছেন। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা বাদীর দাবিকে উড়িয়ে দিয়ে স্রেফ নগদ টাকা আত্মসাতের জন্যই এ খুন করা হয়েছে মর্মে চার্জশিটে উল্লেখ করেন। যদিও বাদী দাবি করেন যে, তার বাসা থেকে কোনো অর্থ কিংবা মূল্যবান সামগ্রী খোয়া যায়নি।
মামলাটি বিচারের জন্য মহানগর দায়রা আদালত হয়ে ঢাকার পরিবেশ আদালতে পাঠানো হয়। এ আদালতে অভিযোগ (চার্জ) গঠনের শুনানির সময় বাদীপক্ষে তার আইনজীবী ফজলুর রহমান দরখাস্ত দিয়ে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া আসামিদের মধ্যে শোয়েব চৌধুরী তপন, জাহিদ চৌধুরী পবন, আবুল বাশার, শাহ ইমরানের বিরুদ্ধেও চার্জ গঠনের আবেদন জানান।

ঢাকার পরিবেশ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান চৌধুরী বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য মামলাটির নথি ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে আরেক দফা পিছিয়ে গেছে এ জোড়া খুনের বিচার।

মামলার বিষয় নিয়ে বাদীর আইনজীবী ফজলুর রহমানের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তিনি মিডিয়াতে কোনো কথা বলতে ও বাদীর মোবাইল নম্বর দিতে অস্বীকৃতি জানান।

সংশ্লিষ্ট আদালতের পিপি রেজাউল করিম হিরন বাংলানিউজকে বলেন, বাদীপক্ষের আইনজীবী সরাসরি এ ধরনের দরখাস্ত আদালতে দিতে পারেন না। বাদীর সকল বক্তব্য রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে দাখিল করতে হয়। কিন্তু ঘটনাটি স্পর্শকাতর হওয়ায় আদালত গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি বিবেচনা করছেন।

তবে আসামি ওমর ফারুকের আইনজীবী আক্তার হোসেন ভূঁইয়া বাংলানিউজকে বলেন, বাদীপক্ষের বারবার আবেদনের ফলে মামলার বিচার শুরুতে বিলম্ব হচ্ছে। এতে করে তার আসামির অধিকার ক্ষুন্ন হচ্ছে।

Google+ Badge

send or tell a frind

voice of the protestant


take a look!

Translate

Sayed Taufiq Ullah